মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে ১৪ সেপ্টেম্বর জেরুজালেমের পবিত্রতম স্থানে ২০০০ বছরের পুরোনো ‘ওয়েস্টার্ন ওয়ালের’ বিশাল পাথরখন্ডগুলো দেখানোর পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দুই দেশের জোটকে ‘পাথরের মতোই শক্তিশালী ও মজবুত’ বলে ঘোষণা করেছিলেন। দুর্ভাগ্যবশত, তিনি ভুল। গাজা যুদ্ধ নিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার কারণে ইসরায়েল এখন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আরও বেশি নির্ভরশীল। চলমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন, কানাডা ও ফ্রান্সের মতো পুরোনো বন্ধুরা ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে। যদিও ইসরায়েলের অব্যাহত বসতি সম্প্রসারণ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে আরও কঠিন করে তুলছে। ইসরায়েলকে একটি ‘একঘরে’ রাষ্ট্র হওয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্র একাই রক্ষা করছে। যা কূটনৈতিক, আইনি ও সামরিক নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ পরিণতি ঢেকে আনতে পারে। নেতানিয়াহু যত আশ্বাসই দিন না কেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক মোটেই খুব বেশি মজবুত নয়। নেতানিয়াহু ট্রাম্প প্রশাসনকে ক্ষুব্ধ করেছেন এবং জোটের ভিত্তির গভীরে থাকা ফাটল উপেক্ষা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বেশি সুবিধাভোগী এই মিত্র দেশকে সমর্থন থেকে ডেমোক্র্যাটিক ভোটাররা দীর্ঘদিন ধরে সরে আসছেন। এমনকি রিপাবলিকান ভোটারদের মধ্যেও আস্থা কমছে।






